ধারা
|
সংক্ষিপ্ত বিবরণ
|
৩
|
বিচায বিষয়ঃ যে বিষয়গুলি বিজ্ঞ আদালতে
গ্রহণযোগ্য বা বিচার করার মত বা বিচার করা যেতে পারে এমন বিষয় গুলিকে বির্চায বিষয়
বলে। প্রাসঙ্গিক বিষয়, বিচারাধীন বিষয়, সাক্ষী, সাক্ষ্য।
|
৩
|
প্রাসঙ্গিক বিষয়ঃ যে বিষয় গুলি বিজ্ঞ
আদালতে গ্রহণযোগ্য বা বিচার করার মত বা বিচার করা যেতে পারে বা আদালত গ্রহণ করবে
বলে মনে হয় এমন বিষয় গুলিকে প্রাসঙ্গিক বিষয় বলে।
|
৩
|
সাক্ষিঃ বিজ্ঞ আদালতে কোন বির্চায বা
বিচারাধীন বা কোন প্রাসঙ্গিক বিষয় সম্পর্কে কোন ব্যক্তি আদালতে হাজির হয়ে লিখিত বা
মৌখিক ভাবে যে বিবৃতি প্রদান করেন সেই বিবৃতি দাতাকে সাক্ষি বলে।
|
৩
|
সাক্ষ্যঃ বিজ্ঞ আদালতে কোন বির্চায
বিষয় বা বিচারাধীন বা কোন প্রাসঙ্গিক বিষয় সম্পর্কে কোন ব্যক্তি আদালতে হাজির হয়ে
লিখিত বা মৌখিক ভাবে যে বিবৃতি প্রদান করেন সেই বিবৃতিকে সাক্ষ্য বলে।
|
৫
|
যে যে বিষয়ে সাক্ষ্য দেওয়া যায়ঃ
১. প্রত্যেক বির্চায বিষয়ে সাক্ষ্য
দেওয়া যায়।
২. প্রত্যেক প্রাসঙ্গিক বিষয়ে সাক্ষ্য
দেওয়া যায়।
৩. প্রত্যেক বিচারাধীন বিষয়ে সাক্ষ্য
দেওয়া যায়।
৪. প্রত্যেক গ্রহণযোগ্য/বিচার করার
মত বিষয়ে সাক্ষ্য দেওয়া যায়।
|
৭
|
ঘটনাস্থলের আলামত আদালতে প্রাসঙ্গিক।
|
৮
|
কোন ব্যক্তির পূর্বের ও পরের আচরণ এবং
ঘটনা ঘটার র্পূব প্রস্তুতি আদালতে প্রাসঙ্গিক
|
৯
|
কোন বিষয়ে ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ করা হলে
তাহা আদালতে প্রাসঙ্গিক।
|
১১
|
অযুহাতঃ আসামি নিজেকে অপরাধের দায় থেকে
রক্ষা করার জন্য আসামী নিজেই নিজের পক্ষে যে যুক্তিতর্কৃ উপস্থাপন করেন তাকে আসামীর
অযুহাত বলে। আসামী অযুহাত আদালতে প্রাসঙ্গিক।
|
১৪
|
যে সকল ঘটনা মনের বা দেহের অবস্থার
অস্তিত্ব র্প্র্দশন করে সেগুলোকে আদালতে প্রাসঙ্গিক
|
১৭-২৩
|
স্বীকৃতির সংজ্ঞাঃ কোন ব্যক্তি বিজ্ঞ
আদালতে হাজির হয়ে কোন প্রাসঙ্গিক, বির্চায বা বিচারাধীন বিষয় সম্পর্কে লিখিত বা মৌখিক
বিবৃতি প্রদান করেন যা বিচার কাজে সহায়তা করে তাকে স্বীকৃতি বলে-পিআরবি-২৮৩ বিধি।
|
২৪-৩০
|
স্বীকারোক্তির সংজ্ঞাঃ কোন মামলার আসামি
আদালতে হাজির হয়ে ভয়ভীতি, প্রলোভন, লোভলালসা ইত্যাদি ছাড়াই নিজের ইচ্ছায় নিজের দোষ
স্বীকার করে যে বিবৃতি প্রদান করেন তাকে স্বীকারোক্তি বলে।(পিআরবি-৪৬৭ বিধি)
|
২৪
|
আসামী পুলিশ হেফাজতে থাকাকালে আসামীকে
ভয়ভীতি দেখিয়ে স্বীকারোক্ত আদায় করা হলে সেই স্বীকারোক্তি আদালতে অপ্রাসঙ্গিক। (কাঃবিঃ
১৬৩ ধারা)।
|
২৫
|
আসামী পুলিশ হেফাজতে থাকাকালে আসামীর
দেওয়া যাবতীয় স্বীকারোক্তি আদালতে অপ্রাসঙ্গিক।
|
২৬
|
আসামী পুলিশ হেফাজতে থাকাকালে ম্যাজিস্ট্রেটের
উপস্থিতিতে আসামীর স্বীকারোক্তি আদায় করা হলে তা আদালতে প্রাসঙ্গিক (কাঃবিঃ-১৬৪ ধারা)।
|
২৬
|
আসামী পুলিশ হেফাজতে থাকাকালে ম্যাজিস্ট্রেটের
অনুপস্থিতিতে আসামীর স্বীকারোক্তি আদায় করা হলে তা আদালতে অপ্রাসঙ্গিক (কাঃবিঃ-১৬৪
ধারা)।
|
২৭
|
আসামী পুলিশ হেফাজতে থাকাকালে আসামীর
স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে যদি কোন তথ্য বা আলামত পাওয়া যায় তাহলে সেই তথ্য বা আলামত
আদালতে প্রাসঙ্গিক।
|
২৭
|
আসামী পুলিশ হেফাজতে থাকাকালে আসামীর
স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে যদি কোন তথ্য বা আলামত পাওয়া না যায় তাহলে সেই স্বীকারোক্তি
আদালতে অপ্রাসঙ্গিক।
|
২৮
|
আদালত যদি মনে করেন পুলিশ অফিসার ভয়ভীতি
প্রলোভন লোভ লালসা ইত্যাদি ছাড়াই আসামীর স্বীকারোক্তি আদায় করেছেন তাহলে সেই স্বীকারোক্তি
আদালতে প্রাসঙ্গিক।
|
২৯
|
আসামীর অপরাধ গোপন রাখা হবে শুধু এতটুকু
গোপনীয়তার প্রতিশ্রুতি দিয়ে স্বীকারোক্তি আদায় করা হলে তাহাও আদালতে প্রাসঙ্গিক।
|
৩০
|
আদালতে একজন অপরাধী অপর অপরাধীকে দোষারোপ
করিয়া স্বীকারোক্তি প্রদান করিলে উক্ত অপরাধী সেই সময় হাজির থাকিলে প্রাসঙ্গিক না
থাকিলে অপ্রাসঙ্গিক।
|
৩২(১)
|
মৃত্যুকালীন জবানবন্দিঃ কোন ব্যক্তি
মৃত্যুকালীন সময়ে তাহার মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে বা কোন বির্চায, বিচারাধীন বা প্রাসঙ্গিক
বিষয়ে যে বিবৃতি প্রদান করেন সেই বিবৃতিকে মৃত্যুকালীন জবানবন্দি বলে। (পিআরবি-২৬৬
বিধি)।
|
৩৩
|
কোন ব্যক্তি জবানবন্দি দেওয়ার পর হারিয়ে
গেলে বা মারা গেলে বা বিদেশ চলে গেলে বা উন্মাদ হলে তার পূর্বের জবানবন্দি আদালতে
প্রাসঙ্গিক।
|
৩৫
|
সরকারী দলিলাদি/রেজিস্টার পত্র আদালতে
প্রাসঙ্গিক।
|
৪৫
|
বিশেষজ্ঞদের মতামতঃ কোন বিষয়ের বিশেষজ্ঞরা
সেই বিষয়ে গবেষণা, পর্যালোচনা বা আলাপ আলোচনা করে যে মতামত প্রদান করেন সেই মতামতকে
বিশেষজ্ঞদের মতামত বলে (কাঃ বিঃ আইনের-৫০৯-ক ধারা, পিআরবি-৩০৬ বিধি)
|
৫২
|
কোন ব্যক্তির র্পূববর্তী চরিত্র ফৌজদারী
মামলার ক্ষেত্রে অপ্রাসঙ্গিক।
|
৫৩
|
কোন ব্যক্তির র্পূববর্তী চরিত্র ফৌজদারী
মামলার ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক।
|
৫৯-৬০
|
মৌখিক সাক্ষ্য/শ্রুত সাক্ষ্যঃ কোন ব্যক্তি
কোন ঘটনা সম্পর্কে পঞ্চইন্দ্রীয় দ্বারা জেনে, শুনে, বুঝে বিজ্ঞ আদালতে যে সাক্ষ্য
প্রদান করেন তাকে মৌখিক সাক্ষ্য বা শ্রুত সাক্ষ্য বলে।
|
৬১
|
দালিলিক সাক্ষ্যঃ বিজ্ঞ আদালতে কোন
বির্চায বা বিচারাধীন বা কোন প্রাসঙ্গিক বিষয় সর্ম্পকে কোন ব্যক্তি দলিল উপস্থাপন
করে যে সাক্ষ্য পেশ করেন তাকে দালিলিক সাক্ষ্য বলে।
|
৬২
|
প্রাথমিক সাক্ষ্যঃ বিজ্ঞ আদালতে কোন
বির্চায বা বিচারাধীন কোন প্রাসঙ্গিক বিষয় সর্ম্পকে কোন ব্যক্তি মূল দলিল উপস্থাপন
করে যে সাক্ষ্য পেশ করেন তাকে প্রাথমিক সাক্ষ্য বলে।
|
৬৩
|
মাধ্যমিক সাক্ষ্যঃ বিজ্ঞ আদালতে কোন
বির্চায বা বিচারাধীন বা কোন প্রাসঙ্গিক বিষয় সর্ম্পকে কোন ব্যক্তি মূল দলিল উপস্থাপন
না করে তার ফটোকপি বা ছায়ালিপি উপস্থাপন করে যে সাক্ষ্য পেশ করেন তাকে মাধ্যমিক সাক্ষ্য
বলে।
|
৭৪
|
সরকারী দলিলঃ সরকারী কমর্চারী সরকারী
দায়িত্ব পালনকালে যা কিছু লিপিবদ্ধ করেন তাই সরকারী দলিল।
|
১১৮
|
যে ব্যক্তি আদালতের প্রশ্ন বুঝেন এবং
সে মোতাবেক উত্তর দিতে পারেন এমন প্রত্যেক ব্যক্তি সাক্ষ্য দানের যোগ্য।
|
১১৯
|
বোবা সাক্ষ্যঃ কোন বোবা ব্যক্তি ইশারা
ইঙ্গিতে বা লিখনির মাধ্যমে আদালতে যে সাক্ষ্য প্রদান করেন তাকে বোবা সাক্ষ্য বলে।
|
১২০
|
স্বামী স্ত্রীর পক্ষে এবং স্ত্রী স্বামীর
পক্ষে আদালতে সাক্ষ্য দিতে পারেন।
|
১২৫
|
র্সোস নিয়োগঃকোন অপরাধের তথ্য উদঘাটনের
জন্য এলাকায় র্সোস বা গুপ্তচর নিয়োগ করা হয়।
|
১২৬
|
উকিল নিয়োগঃ আসামীকে তার পছন্দ মতো
আইনজীবি নিয়োগ করার অধিকার দিতে হবে।
|
১৩৩
|
রাজসাক্ষীঃ কোন অপরাধের সঠিক তথ্য উদঘাটনের
লক্ষে একাধিক অপরাধীর মধ্যে থেকে কোন অপরাধী সঠিক তথ্য প্রদান করলে তাকে অপরাধের
দায় থেকে মুক্তি দেওয়া হবে এই শর্তে অপরাধীর মধ্য থেকে যে সাক্ষী নিয়োগ করা হয় সেই
সাক্ষীকে রাজসাক্ষী বলে। (কাঃ বিঃ আইনের-৩৩৭, ৩৩৮ ধারা)
|
১৩৪
|
অপরাধ প্রমান করার জন্য সাক্ষীর নির্দিষ্ট
কোন সংখ্যা নাই
|
১৩৭
|
জবানবন্দিঃ যে পক্ষ সাক্ষীকে বিজ্ঞ
আদালতে হাজির করেছেন সেই পক্ষই যদি সাক্ষীকে কোন কিছু জিজ্ঞাসা করেন তার প্রেক্ষিতে
সাক্ষী যে বিবৃতি প্রদান করেন সেই বিবৃতিকে জবানবন্দি বলে।
|
১৪১
|
জেরাঃ যে পক্ষ সাক্ষীকে বিজ্ঞ আদালতে
হাজির করেছেন তার বিপরীত পক্ষ যদি সাক্ষীকে কোন কিছু জিজ্ঞাসা করেন তার প্রেক্ষিতে
সাক্ষী যে বিবৃতি প্রদান করেন সেই বিবৃতিকে জেরা বলে।
|
১৪২
|
সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করার সময় সাক্ষীকে
ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন করা যায় না।
|
১৪৩
|
সাক্ষীকে জেরা করার সময় সাক্ষীকে ইঙ্গিতবাহী
প্রশ্ন করা যায়
|
১৪৫
|
কোন ব্যক্তির পূর্বের জবানবন্দীর সঙ্গে
পরের জবানবন্দির মিল না থাকলে বিরোধীতা করার জন্য পূর্বের জবানবন্দি প্রাসঙ্গিক।
|
১৫৪
|
বৈরী সাক্ষীঃ সাক্ষীকে যে পক্ষ আদালতে
হাজির করেছেন সাক্ষী বিজ্ঞ আদালতে সেই পক্ষের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য প্রদান করলে সেই সাক্ষীকে
বৈরী সাক্ষী বা শত্রু সাক্ষী বলে।
|
১৫৭
|
কোন ব্যক্তির পূর্বের জবানবন্দির সঙ্গে
পরের জবানবন্দির মিল থাকলে সমর্থনের জন্য পূর্বের জবানবন্দি প্রাসঙ্গিক
|
১৫৯
|
স্মৃতি পুনঃজিবিত করার জন্য দলিলাদি
বিজ্ঞ আদালতে দেখা যায়
|
১৬৫
|
বিজ্ঞ আদালত যদি অনুমতি প্রদান করেন
তাহলে জবানবন্দী এবং জেরা উভয় ক্ষেত্রেই সাক্ষীকে ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন করা যায়।
|
follow me
Tuesday, February 7, 2017
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
No comments:
Post a Comment